
শুরুর কথা
শুরুটা হয়েছিল 'লক্ষ্মী' নামের একটি গরু দিয়ে
২০১৫ সালে মো. আলম মাদারীপুরে একটি শাহীওয়াল গাভী দিয়ে শুরু করেন এবং সাইকেলে করে বাড়ি বাড়ি দুধ বিক্রি করতেন। প্রতিবেশীরা ভোর হওয়ার আগেই নিজেদের ভাগ রাখতে ডাকতেন।
এই সময়ে খামারটি ধীরে ধীরে বেড়েছে — গোয়ালঘর হয়েছে গোশালা, সাইকেল হয়েছে ভ্যান, আর মানের সাথে কখনো আপস করা হয়নি।
“বাবা সাইকেলে দুধ বেচতেন। আমরা অ্যাপে ডেলিভারি দিই। দুধটা বদলায়নি।”
আলম পরিবার

আধুনিক অধ্যায়
এক দশকের মাইলফলক
- 2015

নতুন করে গড়া
দ্বিতীয় প্রজন্ম পুরোদমে যুক্ত হয়। পুরনো গোশালা নতুন করে তৈরি হয় — সঠিক বাতাস চলাচল, পানি নিষ্কাশন আর পঞ্চাশটি গরুর খোলা থাকার জায়গা নিয়ে।
- 2016

প্রথম ভেট পার্টনারশিপ
আবাসিক পশুচিকিৎসা কার্যক্রম শুরু — প্রতিটি পশু সাপ্তাহিক পরীক্ষা, প্রতি লিটার দুধের দৈনিক মান যাচাই।
- 2017

পাস্তুরাইজেশন ইউনিট
প্রথম প্রসেসিং ইউনিট চালু — দোহনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বোতলজাত পাস্তুরিত দুধ, সাথে দই, ঘি ও মাখন উৎপাদনের সূচনা।
- 2018

ঢাকায় হোম ডেলিভারি
কোল্ড-চেইন ভ্যানে ঢাকাজুড়ে একই দিনে ডেলিভারি শুরু। সাইকেলে শুরু হওয়া সেই সকালের দুধ এখন শত শত দরজায়।
- 2020

ডিজিটাল যাত্রা
লকডাউন আমাদের রাতারাতি অনলাইনে নিয়ে আসে। ফোন অর্ডার, বিকাশ ও নগদ পেমেন্টে শহর থেমে থাকলেও তাজা দুধ থামেনি।
- 2021

এ২ গাভীর পাল
শাহীওয়াল এ২ গাভীর আলাদা পাল আর প্রিমিয়াম মহিষের দুধের লাইন চালু — ঐতিহ্যবাহী জাত, অমূল্য দুধ।
- 2022

খামার সরবরাহ মার্কেটপ্লেস
যা শিখেছি, তা ভাগ করতে শুরু করি: সারাদেশের খামারি ভাইদের জন্য গরু, খাদ্য, পশুচিকিৎসা সামগ্রী ও যন্ত্রপাতি।
- 2024

সবুজ পদক্ষেপ
গোবর থেকে বায়োগ্যাসে চলে খামারের রান্নাঘর, সোলার প্যানেলে চলে দুধের চিলার, আর প্লাস্টিকের বদলে ফেরতযোগ্য কাচের বোতল।
- 2026

আজ, এবং আগামী
২,৫০০+ পরিবার, ১০০+ পণ্য, আর ২০১৫ সাল থেকে অপরিবর্তিত একটাই প্রতিশ্রুতি: খাঁটি দুধ, ভোরে দোহানো, দিনেই ডেলিভারি।
